পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য কিভাবে আবেদন করতে হয়। Police Clearance Certificate।

অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য কিভাবে আবেদন করতে হয় ? কি কি ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয় ? 

Date-26/08/2021.

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য কিভাবে আবেদন করতে হয়। Police Clearance Certificate।


পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য যেভাবে আবেদন করতে হবে-

বর্তমানে যেকোন কারনে বিদেশে যেতে হলে পাসপোর্ট এর মত অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (Police Clearance Certificate) প্রয়োজন হয়। অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে হলে কিভাবে আবেদন করতে হয় ? কি কি ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয় ? সার্টিফিকেট পেতে কত দিন লাগে ? ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে জানতে অনেকে আমাকে জিজ্ঞাসা করে থাকেন। 

তাদের জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের সূত্র ধরে আজকে আমি অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য অনলাইনে কিভাবে আবেদন করতে হয় ? 

কি কি ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয় ? 

অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কত দিনে পাওয়া যায় ? ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। 

আশাকরি শেষ পর্যন্ত পড়লে এবং পোস্টের শেষে থাকা ইউটিউব ভিডিও দেখলে নিজেই নিজের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর জন্য আবেদন করতে পারবেন এবং কারো সহায়তার প্রয়োজন হবে না। আবার অনেকে আছেন এই বিষয়টি জানেন। যারা জানেন এই পোষ্টটি তাদের জন্য নয়। পোস্টটি শুধুমাত্র যারা জানেন না তাদের জন্য।   

বর্তমানে অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে হলে প্রার্থীকে অনলাইনে আবেদন করতে হয়। 

এজন্য প্রার্থীকে প্রথমে বাংলাদেশ পুলিশ (Bangladesh Police) ওয়েবসাইটে ক্লিক করে প্রবেশ করতে হবে। 

এরপর বাংলাদেশ পুলিশ (Bangladesh Police) ওয়েবসাইটের বাম পাশের উপরে প্রথমে থাকা অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স (Online Police Clearance) ওয়েবসাইটে ক্লিক করে প্রবেশ করতে হবে। চাইলে সরাসরি এখানে ক্লিক করে  অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স (Police Clearance) ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারবেন। 

এরপর ওয়েবসাইটের বাম পাশে থাকা রেজিস্ট্রেশন অপসনে ক্লিক করে নাম, মোবাইল নম্বর ও ইমেইল ঠিকানা দিয়ে একটি একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে নিতে হবে।

রেজিস্ট্রেশন শেষে Apply অপসনে ক্লিক করে ধাপে ধাপে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। অবশ্যই আবেদন করার পূর্বে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ওয়েবসাইটে থাকা দিকনির্দেশনা সমূহ পড়ে নিন

আবেদনের সর্বশেষ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টগুলি স্ক্যান করে আবেদনে যুক্ত করতে হবে। 

ব্যাংক থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ফি বাবদ ৫০০/- টাকা জমা দিয়ে চালান ফর্ম সংগ্রহ না করলে অনলাইনে আবেদনের শেষে খুব সহজে ই-চালান ফরম সাবমিট করে মোবাইল ব্যাংকিং (যেমন-বিকাশ) অথবা ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ফি বাবদ ৫০০/- টাকা সহজে অনলাইনে জমা দিয়ে ই-চালান কপি  প্রিন্ট আউট করে নিতে পারবেন।

উল্লেখ্য যে, চালান ফরম অনলাইন বা অফলাইন যেভাবেই সংগ্রহ করেন না কেন চালান ফরম সরাসরি ব্যাংকে গিয়ে জমা দিয়ে বা অনলাইনে তৈরী করার এক কর্মদিবস পর আবেদনের শেষে চালান ফরম স্ক্যান করে যুক্ত করতে পারবেন এবং আবেদনটি সফলভাবে সাবমিট করতে পারবেন। আবেদনটি সাবমিট শেষে একটি প্রিন্ট আউট করে নিন।


পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর আবেদন করতে কি কি লাগে ?

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (Police Clearance Certificate) এর আবেদন করার পূর্বে কিছু প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট বা কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হবে। যেসব ডকুমেন্ট প্রয়োজন হবে তা হলঃ

  • প্রার্থীর পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্কেন কপি বা ফটোকপি করে ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করে নিতে হবে।
  • জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি কার্ড এর ফটোকপি করে ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করে নিতে হবে।
  • গ্রামে বসবাসরত নাগরিক হলে স্থানীয় চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট এবং শহরে বসবাসরত নাগরিক হলে ওয়ার্ড কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত ওয়ার্ড কাউন্সিলর সনদপত্রের ফটোকপি ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করে নিতে হবে।
  • বাংলাদেশের নাগরিক যদি বিদেশে অবস্থান করে তাহলে কি করতে হবে ? বাংলাদেশী নাগরিক বর্তমানে যে দেশে অবস্থান করে সেই দেশে থাকা বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃক পাসপোর্টের তথ্য পাতার সত্যায়িত করে সেই সত্যায়িত কপি স্ক্যান করে নিতে হবে। সেই সত্যায়িত স্ক্যান কপি ই-মেইল বা যেকোন অনলাইন মাধ্যমে বাংলাদেশে থাকা পরিবারের সদস্যকে প্রেরণ করতে হবে। পরিবারের সদস্য যখনই অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর আবেদন করবেন তখন সেই স্ক্যান কপি দাখিল করতে হবে।
  • অন্যদিকে বিদেশী নাগরিকদের (যারা বাংলাদেশী নাগরিক নয়) ক্ষেত্রে নিজ দেশের জাস্টিস অব পিস (Justice of Peace) কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি দাখিল করতে হবে। 
  • যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই তারা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট ফটোকপি করে ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করে নিতে হবে।


পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট করতে কত টাকা লাগে ?

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য প্রার্থীকে বাংলাদেশ ব্যাংক অথবা সোনালী ব্যাংকের যে কোন শাখায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর ফি বাবদ নির্ধারিত কোডে (১-৭৩০১-০০০১-২৬৮১) (উল্লেখ্য যে, কোডটি সময় সময় পরিবর্তন হতে পারে, তাই টাকা জমা দেয়ার পূর্বে কোডটি সঠিক কিনা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ওয়েবসাইটের নির্দেশনা থেকে জেনে নিন) ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা মূল্যমানের ট্রেজারী চালান জমা দিয়ে চালান কপি সংগ্রহ করতে হবে। 

যারা ব্যাংকে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর চালান ফি জমা দিতে ইচ্ছুক নয় তারা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করার শেষে নির্ধারিত অপসনে গিয়ে অনলাইনে চালান ফি বাবদ ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা বিকাশ বা অন্যান্য অনলাইন মাধ্যমে জমা দিতে পারবেন। অনলাইন চালানের ক্ষেত্রে ব্যাংক কর্মকর্তার কোন স্বাক্ষর বা সিল এর প্রয়োজন নেই।  

অনেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট করার খরচ নিয়ে অনেকভাবে ট্রল (Troll) করে। বর্তমান সময়ে আধুনিক প্রযুক্তির যুগে অপ্রাসঙ্গিক ট্রলের কোন ভিত্তি নেই। 


পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে কোথায় যোগাযোগ করতে হয় ?

বর্তমানে অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করার পর সেটি কোন কোন অফিসে যাচ্ছে, আবেদনটি বর্তমানে কোন অফিসে অবস্থান করছে তার সর্বশেষ অবস্থা জানতে PCC ‍S এবং আবেদনে থাকা রেফারেন্স নম্বর লিখে 26969 নম্বরে ম্যাসেজ দিলে জানা যাবে অথবা যেই ই-মেইল থেকে অনলাইনে আবেদনটি করা হয়েছে সেই ই-মেইলে প্রবেশ করলে তা জানা যায় (কিভাবে আবদনের সর্বশেষ অবস্থা জানবেন সেই বিষয়টি আবেদন পত্রের প্রিন্ট কপির নিচে উল্লেখ থাকে)।  

তার পরও যদি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর অবস্থান জানা প্রয়োজন বলে মনে করেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট থানা কিংবা ডিএসবি/ সিটিএসবিতে যোগাযোগ করতে পারেন। সাধারণত এর প্রয়োজন আছে বলে আমার মনে হয় না। 


পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে কত দিন সময় লাগে ?

এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর অনলাইন আবেদন করার পর তা কোন কোন দপ্তরে যায় তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরলাম-

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর আবেদন অনলাইনে সাবমিট করতে হয়। অনলাইনে আবেদন করার পর আবেদনটি প্রার্থীর আবেদনে উল্লেখিত সংশ্লিষ্ট এলাকার বাংলাদেশ পুলিশের জেলা বিশেষ শাখা (District Special Branch-DSB) বা নগর বিশেষ শাখায় (City Special Branch-CSB) সংক্রিয়ভাবে জমা হবে, তার মানে হল প্রার্থীকে সরাসরি কোন আবেদন দাখিল করতে হবে না। 

বাংলাদেশ পুলিশের জেলা বিশেষ শাখা বা নগর বিশেষ শাখা প্রার্থীর আবেদনটি পর্যালোচনা করে প্রার্থীর আবেদনে উল্লেখিত বর্তমান ঠিকানার থানায় প্রেরণ করবেন। 

প্রার্থীর নিকটস্থ থানায় আবেদনটি পাওয়ার পর থানার অফিসার ইনচার্জ থানার একজন এসআই বা এএসআই পদমর্যাদার পুলিশ অফিসারকে দিয়ে আবেদনটি তদন্তের ব্যবস্থা করবেন। 

তদন্তের সময় তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রার্থীর আবেদনে উল্লেখিত নাম, ঠিকানা ও অনলাইনে দাখিলকৃত ডকুমেন্ট পর্যালোচনা করে প্রার্থীর নাম, ঠিকানার সঠিকতা জানতে প্রার্থীর ঠিকানায় গিয়ে মূল ডকুমেন্টগুলি পর্যালোচনা করবেন। 

তদন্তকালে তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রার্থীর যাবতীয় তথ্যাদি সঠিক পাওয়া গেলে তদন্তকারী অফিসার থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবরে আপনার আবেদনটি সঠিক মর্মে একটি তদন্ত রিপোর্ট আকারে সাবমিট করবেন। 

থানার অফিসার ইনচার্জ সেই রিপোর্টের মাধ্যমে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রিন্ট করে বা অনলাইনে সংশ্লিষ্ট ডিএসবি/ সিটি এসবিতে প্রেরণ করবেন। ডিএসবি/ সিটি এসবি থানার অফিসার ইনচার্জ এর তথ্যের ভিত্তিতে তা ঢাকার ইমিগ্রেশন অফিসে প্রেরণ করবেন। 

ঢাকার ইমিগ্রেশন অফিসের দায়িত্বরত কর্মকর্তা কর্তৃক উক্ত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট স্বাক্ষরিত হওয়ার পর পুনরায় তা ঢাকা থেকে প্রার্থীর সংশ্লিষ্ট এলাকার ডিএসবি/সিটিএসবি’তে আসবে। এরপর এই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রার্থী থানা বা ডিএসবি/ সিটি এসবি থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। 

উল্লেখ্য যে, বর্তমানে অনলাইন আবেদনের মত অনলাইনে যাবতীয় কার্যক্রম তথা অনলাইনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্তৃক ডিজিটাল স্বাক্ষরিত হওয়ার পর প্রার্থীর নিজের কম্পিউটার থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রিন্ট করে সংগ্রহ করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ভবিষ্যতে অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আরো সহজ করে নাগরিক সুবিধা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার বদ্ধপরিকর। 

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের আবেদনের প্রার্থী ঢাকার ঠিকানায় বসবাস করলে ০৭ দিন, ঢাকার বাহিরে বসবাস করলে ১৫ দিন সময় লাগতে পারে। তবে যাতায়াত ব্যবস্থার সমস্যার কারনে কিংবা কারিগরি ত্রুটি কিংবা অন্য কোন যান্ত্রিক গোলযোগ বা অসুবিধার কারনে উল্লেখিত নির্ধারিত সময় আরো কয়েকদিন এদিক সেদিক হতে পারে। 


প্রার্থীর স্থায়ী ঠিকানা বা পাসপোর্টে উল্লেখিত স্থানী ঠিকানার পরিবর্তে অস্থায়ী ঠিকানা থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নেয়া যায় কিনা ?

প্রার্থী স্থানীয় ঠিকানা বা পাসপোর্টে উল্লেখিত স্থানীয় ঠিকানার বাহিরে অবস্থান করলে বর্তমানে যেই অস্থায়ী ঠিকানায় অবস্থান করেন সেই থানা এলাকা থেকে যদি পুলিশ ক্লিয়ান্সে সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে ইচ্ছুক হয় কিংবা স্থানীয় ঠিকানা অনেক দূরে কিংবা স্থানীয় ঠিকানায় তেমন যাওয়া হয় না সেই ক্ষেত্রে প্রার্থী চাইলে বর্তমানে বসবাসরত ঠিকানার থানা থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার আবেদন করতে পারবেন। 

তবে সেই ক্ষেত্রে প্রার্থী বর্তমানে যেই থানা এলাকায় বসবাস করে তা প্রমাণের জন্য সেই থানা এলাকার স্থানীয় চেয়ারম্যান বা ওয়ার্ড কাউন্সিলর থেকে চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট বা ওয়ার্ড কাউন্সিলর সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে তা আবেদনের সময় দাখিল করতে হবে। 


পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট মেয়াদ কতদিন থাকে ?  

এই প্রশ্ন অনেকে করে থাকে। একটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সংগ্রহ করার পর বাংলাদেশ থেকে বিদেশে যাওয়ার আগ পর্যন্ত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের মেয়াদ ০৬ মাস বলে জানা যায়। প্রার্থীর ০৬ মাসের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে বিদেশ যাওয়া সম্ভব না হলে আরো একটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সংগ্রহ করতে হয়।


পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের আবেদন করার সময় কোন তথ্য ভুল হলে কিংবা আবেদন করার পর নাম, ঠিকানার বানান ভুল হলে কি করতে হবে ?

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর আবেদন করার সময় প্রার্থীর কোন তথ্য ভুল হলে প্রার্থী চাইলেও তা আর পরিবর্তন করতে পারবে না। তবে এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর তদন্তকালীন থানার তদন্তকারী অফিসারকে সেই ভুল তথ্যের বিষয়ে অবগত করুন। 

কিংবা তদন্তকারী অফিসার দাখিলকৃত ডকুমেন্টের সাথে আবেদনে উল্লেখ করা নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, ঠিকানা ইত্যাদি মিলিয়ে দেখবেন। যদি ভুল হয় তা তিনি সংশোধন করে দিতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে প্রার্থী যদি কোথায় কোথায় ভুল হয়েছে তা তুলে ধরেন তাহলে বিষয়টি সংশোধন করতে আরো সহজ হয়। নিজের প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসারকে ভুলগুলি দেখিয়ে পাসপোর্টের সাথে মিলিয়ে ভুল বানান সংশোধন করে নিন। 


পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের আবেদন বাতিল হতে পারে কিনা ?

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের আবেদন বাতিল (Reject) হতে পারে বিভিন্ন কারনে। তার মধ্যে কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হলো- প্রার্থীর পাসপোর্টের মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে আবেদন বাতিল হবে। আবেদনে যেই বর্তমান ঠিকানা উল্লেখ করা হয় সেই ঠিকানায় বসবাস না করলে। পাসপোর্টের সাথে আবেদনে উল্লেখিত নাম, ঠিকানা সঠিক না থাকলে। যেই বর্তমান ঠিকানা থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সংগ্রহ করার আবেদন করা হয়েছে সেই বর্তমান ঠিকানার ওয়ার্ড কাউন্সিলর অথবা চেয়ারম্যান কর্তৃক সনদপত্র সংগ্রহ না করলে। সর্বশেষ প্রার্থী কোন ফৌজদারী মামলার আসামী হলে। 


পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের আবেদন অনলাইনে কিভাবে করতে হয় তা জানতে নিচের ভিডিওটি দেখতে পারেন-



পোস্টটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন।
ধন্যবাদ।

Comments

  1. Replies
    1. পুলিশ ক্লিয়ারেন্স রিজেক্ট আসছে,নতুন করে করতে ও পারতেছি না, বাতিল করতে ও পারতেছি না, কি করবো,,, প্লিজ বলবেন

      Delete
  2. 2201200942পুলিশ ক্লিয়ারেন্স রিজেক্ট আসছে,নতুন করে করতে ও পারতেছি না, বাতিল করতে ও পারতেছি না, কি করবো,,, প্লিজ বলবেন

    ReplyDelete
  3. পুলিশ ক্লিয়ারেন্স রিজেক্ট আসছে,নতুন করে করতে ও পারতেছি না, বাতিল করতে ও পারতেছি না, কি করবো,,, প্লিজ বলবেন

    ReplyDelete

Post a Comment

Popular posts from this blog

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ কি জেনে রাখুন।

ফেসবুক বা অনলাইনে হয়রানির শিকার হলে কি করবেন।

দুঃখ সত্যকে প্রজ্ঞার চোখে জানা।